ফাইল ছবি
ইসলামি বিপ্লবের ৪৭তম বার্ষিকী উপলক্ষে দেশজুড়ে আয়োজিত ব্যাপক সমাবেশে জনগণের অংশগ্রহণকে স্বাগত জানিয়েছেন ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় প্রচারিত টেলিভিশন ভাষণে তিনি এই উপস্থিতিকে “ঐতিহাসিক” আখ্যা দেন।
তিনি বলেন, ১১ ফেব্রুয়ারির কর্মসূচিতে লাখো মানুষের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ দেশকে নতুন মর্যাদায় অধিষ্ঠিত করেছে। তাঁর দাবি, এই জনসমাবেশ ইসলামি প্রজাতন্ত্রের প্রতি জনগণের অটল সমর্থনেরই বহিঃপ্রকাশ এবং এতে ইরানের বিরোধীরা হতাশ হয়েছে। যারা তেহরানের নতি স্বীকারের প্রত্যাশা করছিল, তাদের পরিকল্পনা ভেস্তে গেছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
সর্বোচ্চ নেতা সমাবেশটিকে জাতীয় ঐক্য, শক্তি ও স্বাধীনতার প্রতীক হিসেবে বর্ণনা করেন। তিনি জনগণকে সংহতি বজায় রাখার আহ্বান জানিয়ে বলেন, রাজপথে ঐক্যবদ্ধ কণ্ঠে উচ্চারিত স্লোগান বিশ্বদরবারে ইরানি জাতির দৃঢ় অবস্থান তুলে ধরেছে।
তিনি আরও উল্লেখ করেন, সাম্প্রতিক সময়ে ইরান বহুমাত্রিক চাপের মুখে রয়েছে—গত জুনে ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্র–এর সঙ্গে ১২ দিনের সংঘাত এবং পরবর্তীতে অর্থনৈতিক ও গণমাধ্যম–সংক্রান্ত চাপ পরিস্থিতিকে জটিল করেছে। জানুয়ারিতেও বিদেশি গোয়েন্দা তৎপরতা ও উগ্রপন্থী গোষ্ঠীর মাধ্যমে অস্থিরতা তৈরির চেষ্টা হয়েছে বলে তিনি অভিযোগ করেন।
তবুও প্রতিকূল আবহাওয়া উপেক্ষা করে রাজধানী তেহরানসহ দেশের ১,৪০০–এর বেশি শহর ও গ্রামে বিপুল মানুষের উপস্থিতি জাতীয় স্বার্থে আপসহীন অবস্থানেরই প্রমাণ—এমনটাই দাবি করেন খামেনি।
আপনার মূল্যবান মতামত দিন: