উত্তেজনা সত্ত্বেও কিউবাকে মানবিক সহায়তার ঘোষণা প্রেসিডেন্টের

মুনা নিউজ ডেস্ক | ২২ মে ২০২৬ ১৬:২১

সংগৃহীত সংগৃহীত

ক্যারিবীয় অঞ্চলে বিমানবাহী রণতরী 'নিমিৎজ' মোতায়েন নিয়ে সৃষ্টি হওয়া তীব্র জল্পনা-কল্পনার অবসান ঘটিয়েছেন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। ওভাল অফিসে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে দেশের শীর্ষ নেতৃত্ব আশ্বস্ত করেছেন যে, এই রণতরী পাঠানোর উদ্দেশ্য কোনো সামরিক ভয়ভীতি প্রদর্শন নয়। বরং মানবিক দৃষ্টিকোণ থেকে প্রতিবেশীদের পাশে দাঁড়ানো এবং এখানে বসবাসরত কিউবান বংশোদ্ভূত নাগরিকদের নিজ দেশে মানবিক সহায়তা পৌঁছানোর সুযোগ করে দেওয়াই এর মূল লক্ষ্য।

অবশ্য এই মানবিক সহায়তার সমান্তরালেই দুই দেশের কূটনৈতিক সম্পর্কে পুরনো ক্ষত নতুন করে সামনে এসেছে। ১৯৯৬ সালে কিউবার আকাশসীমায় দুটি বিমান ভূপাতিতের ঘটনায় চারজনের মৃত্যুর জেরে সম্প্রতি দেশটির সাবেক প্রেসিডেন্ট রাউল কাস্ত্রোর বিরুদ্ধে ফেডারেল বিচার বিভাগ আনুষ্ঠানিক হত্যাকাণ্ডের অভিযোগ এনেছে। হাভানা অবশ্য এই আইনি পদক্ষেপকে ‘জঘন্য অপবাদ’ ও সামরিক হস্তক্ষেপের অজুহাত হিসেবে আখ্যা দিয়ে প্রত্যাখ্যান করেছে। একই সাথে অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা ও তেল অবরোধের চাপও বজায় রাখা হয়েছে।

তবে সব ধরনের টানাপোড়েনের মধ্যেও দ্বিপাক্ষিক আলোচনার পথ খোলা রাখা হয়েছে বলে জানিয়েছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও। তিনি নিশ্চিত করেছেন যে, ওয়াশিংটনের পক্ষ থেকে দেওয়া ১০ কোটি ডলারের মানবিক সহায়তা ইতোমধ্যেই গ্রহণ করেছে কিউবা। সাউদার্ন কমান্ডের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, এই অঞ্চলে সামরিক উপস্থিতি মূলত বৈশ্বিক স্থিতিশীলতা বজায় রাখার নিয়মিত অংশ। বিশ্লেষকদের মতে, দুই দেশের দীর্ঘদিনের ঐতিহাসিক জটিলতা সত্ত্বেও চলমান কূটনৈতিক যোগাযোগ আগামী দিনে নতুন কোনো অগ্রগতির ইঙ্গিত দিতে পারে।v



আপনার মূল্যবান মতামত দিন: