সংগৃহীত
সন্তানের ভরণপোষণের জন্য নির্ধারিত অর্থ পরিশোধে ব্যর্থ অভিভাবকদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার ঘোষণা দিয়েছে এদেশের স্টেট ডিপার্টমেন্ট। নতুন এই সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, যেসব নাগরিকের ওপর চাইল্ড সাপোর্ট বাবদ বড় অঙ্কের ঋণ রয়েছে, তাদের পাসপোর্ট বাতিল করা হবে।
মূলত ২৫০০ ডলারের বেশি বকেয়া থাকা অভিভাবকরা এই আইনি প্রক্রিয়ার আওতায় পড়বেন, তবে প্রশাসনের মূল লক্ষ্য থাকবে যাদের বকেয়ার পরিমাণ অনেক বেশি তাদের ওপর।
স্টেট ডিপার্টমেন্ট জানিয়েছে, সন্তানদের প্রতি পিতামাতার আইনগত ও নৈতিক দায়িত্ব নিশ্চিত করতেই এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। একে একটি ‘যৌক্তিক ও সাধারণ পদ্ধতি’ হিসেবে অভিহিত করে কর্তৃপক্ষ বলছে, এর মাধ্যমে শিশুদের কল্যাণ ও আইন প্রতিপালন আরও জোরদার হবে। যাদের এ ধরনের বকেয়া রয়েছে, তাদের পাসপোর্ট বাতিল হওয়া ঠেকাতে দ্রুত সংশ্লিষ্ট সংস্থার সাথে যোগাযোগ করে অর্থ পরিশোধের পরিকল্পনা করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
একবার পাসপোর্ট বাতিল হয়ে গেলে তা আর আন্তর্জাতিক ভ্রমণের জন্য ব্যবহারযোগ্য থাকবে না। এছাড়া ঋণের পুরো টাকা পরিশোধ না করা পর্যন্ত সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি নতুন কোনো পাসপোর্টের জন্য আবেদনও করতে পারবেন না। উল্লেখ্য, ১৯৯৬ সালের একটি ফেডারেল আইনে এই বিধান থাকলেও এতদিন এর প্রয়োগ ছিল সীমিত। আগে সাধারণত পাসপোর্ট নবায়নের সময় এই সমস্যা সামনে আসত, কিন্তু এখন থেকে বকেয়া থাকলেই সরাসরি পাসপোর্ট বাতিলের মতো কঠোর পদক্ষেপ নেবে কর্তৃপক্ষ।
আপনার মূল্যবান মতামত দিন: