তীব্র হামলার মধ্যেও ইরাকে খামেনির শোকযাত্রা, নাজাফে লাখো মানুষের ঢল

মুনা নিউজ ডেস্ক | ৮ জুলাই ২০২৬ ২১:৫৪

সংগৃহীত সংগৃহীত

হরমুজ প্রণালী ঘিরে চলমান তীব্র সামরিক উত্তেজনা এবং অনবরত বিমান হামলার মধ্যেও ইরানের প্রয়াত সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির শোকযাত্রা থামানো যায়নি।

আজ বুধবার (৮ জুলাই) এই প্রয়াত নেতার কফিন প্রতিবেশী ইরাকের পবিত্র নগরী নাজাফে এসে পৌঁছালে প্রিয় নেতাকে শেষ শ্রদ্ধা জানাতে লাখো মানুষের ঢল নামে। এর আগে গত মঙ্গলবার রাতে এ দেশের সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) চার ঘণ্টাব্যাপী এক অভিযানে ইরানের ৮০টিরও বেশি সামরিক লক্ষ্যবস্তুতে জোরালো হামলা চালায়। মূলত তিনটি বাণিজ্যিক জাহাজে তেহরানের আক্রমণের জবাবেই এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছিল বলে ওয়াশিংটনের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়।

এই বিমান হামলার তীব্র প্রতিক্রিয়া হিসেবে ইরানের রেভল্যুশনারি গার্ড কোর (আইআরজিসি) বাহরাইন ও কুয়েতে অবস্থিত এ দেশের ৮৫টি গুরুত্বপূর্ণ সামরিক স্থাপনায় ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র দিয়ে পাল্টা আঘাত হানে। দুই দেশের এই পাল্টাপাল্টি হামলায় মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধাবস্থা তৈরি হলেও ইরাকে খামেনির পূর্বনির্ধারিত শোকানুষ্ঠানে তার কোনো প্রভাব পড়েনি। এই উপলক্ষে আজ ইরাকজুড়ে সরকারি ছুটি ঘোষণা করা হয়। তেহরানে গত ২৮ ফেব্রুয়ারি এক হামলায় খামেনি নিহত হওয়ার পর এটিই তাঁর দীর্ঘায়িত অন্ত্যেষ্টিক্রিয়ার অংশ। নাজাফের সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে কফিনটি শিয়া মুসলিমদের অন্যতম পবিত্র স্থান ইমাম আলির মাজারে নেওয়া হয়। নাজাফ ও কারবালার ধর্মীয় আনুষ্ঠানিকতা শেষে কফিনটি পুনরায় ইরানে ফিরিয়ে নেওয়া হবে এবং আগামী বৃহস্পতিবার উত্তর-পূর্ব ইরানের মাশহাদ শহরে তাঁকে সমাহিত করা হবে।



আপনার মূল্যবান মতামত দিন: