ছবি: সংগৃহীত
গাজা উপত্যকা – যুদ্ধবিরতির আলোচনা চললেও গাজা উপত্যকার সাধারণ মানুষের ভাগ্য বদলায়নি। অবরুদ্ধ এই জনপদে ত্রাণবাহী ট্রাক প্রবেশের পথ সংকুচিত হওয়ায় দেখা দিয়েছে তীব্র খাদ্য ও চিকিৎসা সংকট।
হাড়কাঁপানো শীতে হাজার হাজার মানুষ এখন একটু মানবিক সহায়তার অপেক্ষায় দিন গুনছেন। জাতিসংঘ স্পষ্ট জানিয়েছে, গাজা পুনর্গঠনের চেয়েও এখন বড় চ্যালেঞ্জ হলো ক্ষুধার্ত মানুষের কাছে দ্রুত জরুরি সহায়তা পৌঁছে দেওয়া।
মাঠ পর্যায়ের করুণ চিত্র সীমান্ত দিয়ে পর্যাপ্ত ত্রাণের আশ্বাস দেওয়া হলেও বাস্তব চিত্র ভিন্ন। গত শুক্রবার (২৩ জানুয়ারি) খান ইউনুসের আল-মাওয়াসি এলাকায় খাবারের জন্য ক্ষুধার্ত মানুষের দীর্ঘ লাইন দেখা যায়। মাত্র একবেলা খাবারের আশায় নারী-পুরুষ ও শিশুরা মাইলের পর মাইল পায়ে হেঁটে সেখানে ভিড় করছেন। ত্রাণ কার্যক্রমের এই জটিলতা দূর করে মানবিক সহায়তা ও পুনর্গঠন কাজ একযোগে চালানোর আহ্বান জানিয়েছে আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলো।
পশ্চিম তীরের পরিস্থিতি ও ‘নিউ গাজা’ উদ্যোগ সংকট কেবল গাজায় সীমাবদ্ধ নেই; পশ্চিম তীরেও ইসরায়েলি অভিযানে বসতি হারিয়েছেন বহু ফিলিস্তিনি। এরই মাঝে সুইজারল্যান্ডের দাভোসে ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরামে যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে ‘নিউ গাজা’ নামক একটি মহাপরিকল্পনা পেশ করা হয়েছে। প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের গঠিত ‘বোর্ড অব পিস’ এই পরিকল্পনার মূল তদারককারী হিসেবে কাজ করবে। এই প্রকল্পের আওতায় যুদ্ধবিধ্বস্ত গাজাকে আধুনিক আবাসন, শিল্পাঞ্চল এবং ভূমধ্যসাগরের তীরে বহুতল ভবনের এক নতুন নগরী হিসেবে গড়ে তোলার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে।
আপনার মূল্যবান মতামত দিন: