
মাস তিনেক যেতে না-যেতেই ডোনাল্ড ট্রাম্পের সরকার ছাড়ছেন ইলন মাস্ক! ঘনিষ্ঠমহলে এ কথা ঘোষণা করেছেন ট্রাম্প স্বয়ং। এমনটাই বলছে আমেরিকার বিভিন্ন সংবাদমাধ্যম।
নির্বাচনে জেতার পরেই ‘প্রিয়জন’ মাস্ককে গুরুত্বপূর্ণ সরকারি পদে বসিয়েছিলেন ট্রাম্প। আমেরিকার সেই ‘দক্ষতা বিষয়ক দফতর’-এর পদ দ্রুত ছেড়ে দেবেন মাস্ক। একাধিক আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, ট্রাম্প তাঁর ঘনিষ্ঠমহলে জানিয়েছেন যে, আগামী কয়েক সপ্তাহের মধ্যেই মাস্ক ওই পদ ছাড়ছেন।
তবে প্রশ্ন উঠছে, দায়িত্ব পেয়েই হঠাৎ কেন এমন পদত্যাগের সিদ্ধান্ত? এর নেপথ্যে কি মাস্কের অসংখ্য কর্মীকে ছাঁটাইয়ের বিতর্কিত সিদ্ধান্ত, যে নির্দেশ আদালত প্রত্যাহার করার নির্দেশ দিয়েছিল?
একটি সূত্র উদ্ধৃত করে দাবি করা হয়েছে, ট্রাম্প কিংবা তাঁর প্রশাসনের কারও সঙ্গে মতানৈক্য নেই মাস্কের। দক্ষতা বিষয়ক দফতরে মাস্কের কাজ নিয়েও খুশি ট্রাম্প। তাঁরা নিজেদের মধ্যে আলোচনা করে সিদ্ধান্ত নিয়েছেন, ব্যবসার কাজে মাস্কের পুরোপুরি মনোনিবেশ করার জন্য এটাই সঠিক সময়। তবে প্রয়োজনে মাস্ক সহযোগিতা করবেন আমেরিকার দক্ষতা বিষয়ক দফতরকে। অন্য দিকে, মাস্কের ‘ছুটি’র খবর সামনে আসতেই দাম বেড়েছে তাঁর সংস্থা টেসলার শেয়ারের।
তবে সরকারি পদ থেকে মাস্কের ইস্তফা দেওয়া নিয়ে ট্রাম্পের মন্তব্য সংক্রান্ত প্রতিবেদনটি ‘সত্য’ বলে মানতে নারাজ হোয়াইট হাউসের মিডিয়া-সচিব ক্যারোলিন লিভিট। তাঁর দাবি, মার্কিন প্রেসিডেন্ট এবং মাস্ক দু’জনেই আগে প্রকাশ্যে জানিয়েছিলেন যে, বিশেষ সরকারি কর্মচারী হিসেবে মাস্কের ‘গুরুত্বপূর্ণ’ ও ‘অবিশ্বাস্য’ কাজ শেষ হলেই তিনি ওই পদ থেকে সরে দাঁড়াবেন।
প্রসঙ্গত, গত সোমবারই ট্রাম্প বলেছিলেন, “মাস্ক অসাধারণ। তাঁকে ধরে রাখার চেষ্টা করব। কিন্তু তাঁরও নিজস্ব একটি বড় সংস্থা আছে। সেখানেই তিনি ফিরতে চান।”
মাস্ক অবশ্য এর আগে নিজেই জানিয়েছিলেন, তাঁর কাজ প্রায় শেষ। জানা গিয়েছিল, দফতরের দায়িত্বপ্রাপ্ত বেশ কয়েক জন শীর্ষস্থানীয় আধিকারিকের সঙ্গে ইতিমধ্যে বৈঠকও সেরে ফেলেছেন তিনি। সেখানে আলোচনা হয়েছিল আমেরিকার দক্ষতা বিষয়ক দফতরের সাফল্য প্রসঙ্গে।
আপনার মূল্যবান মতামত দিন: