যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচন: প্রচার ব্যয়ের সব রেকর্ড ভেঙে খরচ ছাড়াল ১২ বিলিয়ন ডলার

৩ নভেম্বর ২০২৬, ১৮:১৩

ছবি : সংগৃহীত ছবি : সংগৃহীত

যুক্তরাষ্ট্রের এবারের মধ্যবর্তী নির্বাচন ঘিরে প্রচার ব্যয়ের ক্ষেত্রে অতীতের সব রেকর্ড ভেঙে গেছে। নির্বাচনী প্রচারে অর্থায়নের হিসাব রাখা স্বাধীন সংস্থা ‘ওপেন সিক্রেটস’-এর পূর্বাভাস অনুযায়ী, এবারের নির্বাচনে মোট প্রচার খরচ প্রায় ১ হাজার ১৯০ কোটি ডলারে (১২ বিলিয়ন ডলার) গিয়ে ঠেকতে পারে।

বিবিসির প্রতিবেদনে জানা গেছে, ৩ নভেম্বরের নির্বাচনকে কেন্দ্র করে গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গরাজ্যগুলোতে বিপুল পরিমাণ অর্থ ঢেলেছে বিভিন্ন রাজনৈতিক গোষ্ঠী। এবারের প্রচারের বড় একটি অংশ এসেছে প্রার্থীদের বাইরে থাকা রাজনৈতিক সংগঠন বা ‘সুপার পলিটিক্যাল অ্যাকশন কমিটি’ (সুপার পিএসি)গুলোর মাধ্যমে। বিশেষ করে টেসলা ও স্পেসএক্সের প্রধান নির্বাহী ইলন মাস্ক একাই রিপাবলিকান প্রার্থীদের পক্ষে প্রায় ৫০ কোটি ডলার অনুদান দিয়ে শীর্ষ দাতা হিসেবে আবির্ভূত হয়েছেন।

ফেডারেল নির্বাচন কমিশনের (এফইসি) তথ্য অনুযায়ী, এবারের মধ্যবর্তী নির্বাচনে পিএসি ও সুপার পিএসিগুলোর অবদান প্রায় অর্ধেক। ব্রেনান সেন্টার ফর জাস্টিসের তথ্যমতে, শীর্ষ দাতা হিসেবে ইলন মাস্কের পাশাপাশি জর্জ সোরোস, মাইকেল ব্লুমবার্গ, রিচার্ড ও এলিজাবেথ উইলেইন এবং জেফ ইয়াসের মতো প্রভাবশালী ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানগুলো কোটি কোটি ডলার অনুদান দিয়েছে। এছাড়া ক্রিপ্টোকারেন্সি খাতের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানও সুপার পিএসিগুলোর মাধ্যমে বড় অংকের অর্থ ব্যয় করেছে।

এই বিশাল বাজেটের সিংহভাগ অর্থই ব্যয় হয়েছে ভোটারদের দ্বারে পৌঁছানো, মাঠপর্যায়ের কর্মী নিয়োগ এবং বিভিন্ন প্রচারণামূলক বিজ্ঞাপনের পেছনে। বিশেষ করে টেলিভিশন এবং ডিজিটাল বিজ্ঞাপনে রেকর্ড পরিমাণ অর্থ ঢালা হয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, মিশিগান, টেক্সাস ও ওহাইওর মতো হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ের আসনগুলোতে এই প্রচার ব্যয়ের প্রভাব ছিল সবচেয়ে বেশি।