ছবি : সংগৃহীত
মিশিগানের সিনেট নির্বাচনকে কেন্দ্র করে রাজনীতি ও ধর্মভিত্তিক বিতর্কের ঝড় উঠেছে। ডেমোক্র্যাট প্রার্থী আবদুল এল-সাইদকে মুসলিম ব্রাদারহুড এবং ইসলামি চরমপন্থার প্রতি সহানুভূতিশীল প্রমাণের চেষ্টা চালাচ্ছেন রিপাবলিকান ডোনাল্ড ট্রাম্প ও তাঁর প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী মাইক রজার্স।
বিপরীতে এল-সাইদের দাবি, কোনো সুনির্দিষ্ট তথ্যপ্রমাণ ছাড়াই কেবল ধর্মীয় পরিচয়ের কারণে তাঁকে অন্যায্যভাবে ‘দ্বৈত আনুগত্যের’ অভিযুক্ত করা হচ্ছে। ক্যারো শহরের এক উত্তপ্ত টাউন হল সভায় এক ভোটারের সরাসরি প্রশ্নের জবাবে এল-সাইদ স্পষ্ট জানান, দেশের সংবিধানই তাঁর একমাত্র পথনির্দেশক আলো এবং তিনি সব ধরনের চরমপন্থাকে ধিক্কার জানান। অতীতে দেশের প্রাক্তন প্রেসিডেন্ট জন এফ. কেনেডি ও বারাক ওবামাকেও ঠিক একইভাবে অনুচিত ক্যাথলিক ও মুসলিম পরিচয়ের দোহাই দিয়ে রাজনৈতিকভাবে ঘেরাও করার চেষ্টা করা হয়েছিল বলে তিনি মনে করিয়ে দেন।
নির্বাচনী প্রচারণায় ট্রাম্প ও রজার্স ধারাবাহিকভাবে এল-সাইদের পরিবারের ইতিহাস, সৎবোনের সামাজিক মাধ্যমের পুরোনো পোস্ট এবং তৎকালীন মিসর সরকারের সময়ের প্রেক্ষাপট টেনে এনে তাঁকে ও তাঁর পরিবারকে ঘিরে বিভিন্ন তথ্য সামনে আনছেন। অন্যদিকে, কেন্দ্রীয় সন্ত্রাস নজরদারি তালিকায় স্ত্রীর বোনের নাম থাকা সম্পর্কিত প্রশ্নের জবাবে এল-সাইদ জানান, আদালতের আইনি লড়াইয়ের মাধ্যমে সেই ভুল তালিকা সংশোধন করা হয়েছিল। অনর্থক বিভ্রান্তিকর অভিযোগের ওপর ভিত্তি না করে দেশের মানুষের জীবনের প্রকৃত সমস্যা, স্বাস্থ্যসেবা (মেডিকেয়ার) ও অর্থনৈতিক বিষয়গুলো নিয়ে রাজনীতি করার আহ্বান জানিয়েছেন এই ডেমোক্র্যাট প্রার্থী।