ফাইল ছবি
যুক্তরাষ্ট্রের ২০২৬ সালের মধ্যবর্তী নির্বাচনে কংগ্রেসে রিপাবলিকানদের সংখ্যাগরিষ্ঠতা ধরে রাখতে গত জুলাইয়ের পর থেকে ২৭৬ মিলিয়ন ডলার অনুদান দিয়েছেন শীর্ষ ধনী ইলন মাস্ক।
এ নিয়ে চলতি নির্বাচনী চক্রে তাঁর মোট রাজনৈতিক অর্থায়নের পরিমাণ পৌঁছেছে প্রায় ৩৬৬ মিলিয়ন ডলারে, যা তাকে এই বছরের একক বৃহত্তম রাজনৈতিক দাতায় পরিণত করেছে। প্রকাশিত নথিপত্র অনুযায়ী, এই বিশাল অর্থের সিংহভাগ বা ১৫৮ মিলিয়ন ডলার দেওয়া হয়েছে সিনেট মেজরিটি লিডার জন থুনের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট 'সিনেট লিডারশিপ ফান্ড'-এ। পাশাপাশি হাউস স্পিকার মাইক জনসনের 'কংগ্রেশনাল লিডারশিপ ফান্ড' পেয়েছে ২০ মিলিয়ন এবং মাস্কের নিজস্ব 'আমেরিকা প্যাক' পেয়েছে ৭৬ মিলিয়ন ডলার।
তবে মাস্কের এই বিশাল রাজনৈতিক অর্থায়ন নতুন বিতর্কের জন্ম দিয়েছে। প্রতিনিধি পরিষদের ডেমোক্র্যাট সদস্যরা স্পেসএক্সের সরকারি চুক্তি এবং ট্রাম্পের অধীনে পরিচালিত গভর্নমেন্ট এফিসিয়েন্সি বিভাগে তাঁর ভূমিকার বিষয়ে তদন্ত দাবি করেছেন। এ ছাড়া টেক্সাসের সিনেট নির্বাচনে রিপাবলিকান প্রার্থী কেন প্যাক্সটনের সমর্থনে ১০ মিলিয়ন ডলারসহ আরও বেশ কয়েকটি প্যাক ও অ্যাসোসিয়েশনে অর্থ ঢালছেন তিনি। সার্বিক রাজনৈতিক অর্থ শক্তিতে রিপাবলিকানরা এগিয়ে থাকলেও একাধিক গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গরাজ্যে ডেমোক্র্যাটদের জয়ের সম্ভাবনা বৃদ্ধি পাওয়ায় ভোটের ফল নিয়ে তৈরি হয়েছে তীব্র অনিশ্চয়তা।