দুই দফা ইনজেকশনের পরও বেঁচে গেলেন মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত নারী, নেওয়া হলো হাসপাতালে

Akhlakuzzaman | ১ অক্টোবর ২০২৬, ২০:৫৩

ছবি : সংগৃহীত ছবি : সংগৃহীত

টেনেসি অঙ্গরাজ্যে মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের সময় দুই দফা প্রাণঘাতী ইনজেকশন দেওয়ার পরও বেঁচে গেছেন ক্রিস্টা পাইক নামের এক নারী। পরবর্তীতে তাঁকে দ্রুত হাসপাতালে নেওয়া হয়। তাঁর আইনজীবীরা জানিয়েছেন, ইনজেকশন প্রয়োগের পর তিনি অচেতন হয়ে পড়লেও তাঁর হৃদস্পন্দন স্বাভাবিক ছিল এবং তিনি শ্বাস নিচ্ছিলেন।

বুধবার রাত ৮টার দিকে ন্যাশভিলের রিভারবেন্ড ম্যাক্সিমাম সিকিউরিটি ইনস্টিটিউশনে পাইকের মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের চেষ্টা চালানো হয়। তাঁকে দুই দফায় পেন্টোবারবিটাল নামক প্রাণঘাতী ওষুধ দেওয়া হলেও কাঙ্ক্ষিত ফল না আসায় দুইবারই সাক্ষীদের কক্ষের পর্দা বন্ধ করে দেওয়া হয়। এমনকি গণমাধ্যমকর্মীদেরও কারাগার এলাকা ছেড়ে যেতে বলা হয়েছিল।

মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের প্রক্রিয়া চলাকালীন পাইকের আইনজীবীরা জরুরি ভিত্তিতে আদালতে আবেদন করেন। আবেদনে উল্লেখ করা হয় যে তিনি অচেতন হলেও তাঁর হৃদস্পন্দন সচল রয়েছে। পরবর্তীতে জেলা জজ জানান, চিকিৎসাকর্মীরা প্রয়োজনীয় চিকিৎসা শুরু করেছেন এবং তাঁকে কারাগার থেকে হাসপাতালে স্থানান্তরিত করা হয়েছে।

চিকিৎসা বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছেন, পাইকের শরীরে পেন্টোবারবিটালের পর্যাপ্ত মাত্রা পৌঁছায়নি, যার কারণে শ্বাস-প্রশ্বাস বা হৃদ্‌যন্ত্রের কার্যক্রম পুরোপুরি বন্ধ হয়নি। উল্লেখ্য, ১৯৯৬ সালে ১৯ বছর বয়সী কোলিন স্লেমারকে হত্যার দায়ে পাইককে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছিল। অপরাধ সংঘটিত হওয়ার সময় তাঁর বয়স ছিল মাত্র ১৮ বছর।

এই ঘটনার পর গভর্নর লি একটি স্বাধীন ও পূর্ণাঙ্গ তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন এবং টেনেসির নির্ধারিত আরেকটি মৃত্যুদণ্ড স্থগিত করা হয়েছে। অন্যদিকে কারা কর্তৃপক্ষ দাবি করেছে যে তারা সমস্ত নিয়ম মেনে প্রক্রিয়াটি পরিচালনা করেছে, যদিও আইনজীবীরা শিরায় ওষুধ প্রয়োগে ত্রুটির অভিযোগ তুলেছেন।