ছবি: সংগৃহীত
তাইওয়ানে অস্ত্র বিক্রি নিয়ে উদ্বেগের মধ্যেই চীনের কাছে অস্ত্র বিক্রির প্রস্তাব দিয়েছেন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। ফক্স নিউজকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে এ তথ্য জানিয়েছেন চীনে নিযুক্ত যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত ডেভিড পারডু।
যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূতের সাক্ষাৎকারটি প্রচার হয়েছে রোববার। তিনি বলেন, গত সপ্তাহে শি জিনপিংয়ের ওয়াশিংটন সফরের সময় অস্ত্র বিক্রির বিষয়টি আবার আলোচনায় ওঠে। ওই সময় ট্রাম্প বলেন, ‘আমরা বিশ্বের বিভিন্ন দেশের কাছে অস্ত্র বিক্রি করি।’ একপর্যায়ে শি’কে জিজ্ঞেস করেন, তিনি কিছু অস্ত্র কিনতে চান কি না।
ডেভিড পারডু বলেন, ‘অন্যান্য অস্ত্র বিক্রি নিয়েও আলোচনা অব্যাহত আছে। প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প ও শি যখনই একসঙ্গে বসেন, তাঁরা এ বিষয়ে কথা বলেন।’
গত বছরের ডিসেম্বরে তাইওয়ানের কাছে ১১ দশমিক ১ বিলিয়ন ডলারের অস্ত্র বিক্রির অনুমোদন দেয় যুক্তরাষ্ট্র। পারডুর ভাষ্য অনুযায়ী, ১৯৭৯ সালের পর যেকোনো যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্টের তুলনায় ট্রাম্পই তাইওয়ানের কাছে সবচেয়ে বেশি অস্ত্র বিক্রির অনুমোদন দিয়েছেন।
গণতান্ত্রিকভাবে নির্বাচিত প্রেসিডেন্ট ও আইনসভা থাকায় তাইওয়ানের আত্মরক্ষার জন্য অস্ত্র সরবরাহ করতে আইনত কোনো বাধা নেই। তবে চীন দ্বীপ দেশটিকে নিজেদের ভূখণ্ড বলে দাবি করে। সেখানে যুক্তরাষ্ট্রের অস্ত্র বিক্রির বিষয়টি দীর্ঘদিন ধরে ওয়াশিংটন-বেইজিং বিরোধের কেন্দ্রে আছে।
গত জুনে তাইওয়ানকে সতর্ক করে চীন বলে, যুক্তরাষ্ট্রের ওপর নির্ভর করে বা সামরিক উপায়ে স্বাধীনতা অর্জনের চেষ্টা কখনো সফল হবে না। ওয়াশিংটন সফরের সময়ও ট্রাম্পকে তাইওয়ানের স্বাধীনতার বিরোধীতা করার আহ্বান জানান শি। এর আগে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্টের বেইজিং সফরের সময় তাইওয়ান ইস্যুতে বিচক্ষণতা দেখানোর আহ্বান জানানো হয়েছিল।