গাজায় ৭০০ কোটি ডলারের পুনর্গঠন তহবিল ঘোষণা ট্রাম্পের

মুনা নিউজ ডেস্ক | ২০ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ১৯:৪৮

ছবি: সংগৃহীত ছবি: সংগৃহীত

গাজা উপত্যকার পুনর্গঠনে বড় ধরনের আর্থিক ও সামরিক রূপরেখা ঘোষণা করেছেন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। বৃহস্পতিবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) ওয়াশিংটনে নবগঠিত ‘বোর্ড অব পিস’ বা শান্তি পর্ষদের প্রথম বৈঠকে ৯টি সদস্য দেশের পক্ষ থেকে ৭০০ কোটি (৭ বিলিয়ন) ডলারের প্রাথমিক পুনর্গঠন তহবিল ঘোষণা করা হয়। এছাড়া গাজায় ‘আন্তর্জাতিক স্থিতিশীলতা রক্ষাকারী বাহিনী’ (ISF) মোতায়েনে সম্মত হয়েছে ৫টি দেশ।

তহবিল ও সদস্য দেশ:
ট্রাম্প জানান, গাজা পুনর্গঠন তহবিলে প্রাথমিকভাবে কাজাখস্তান, আজারবাইজান, সংযুক্ত আরব আমিরাত, মরক্কো, বাহরাইন, কাতার, সৌদি আরব, উজবেকিস্তান ও কুয়েত অর্থ প্রদানের প্রতিশ্রুতি দিয়েছে। এছাড়া যুক্তরাষ্ট্র এককভাবে এই পর্ষদকে আরও ১ হাজার কোটি ডলার সহায়তা দেবে। তবে ট্রাম্পের এই ২০ দফা পরিকল্পনার সমালোচনা করে বিশ্লেষকরা বলছেন, গাজার ধ্বংসস্তূপ সরাতে প্রয়োজন অন্তত ৭ হাজার কোটি ডলার, যার তুলনায় এই বরাদ্দ বেশ সামান্য।

প্রস্তাবিত সামরিক বাহিনী:
গাজায় নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ইন্দোনেশিয়া, মরক্কো, কাজাখস্তান, কসোভো ও আলবেনিয়া সেনা পাঠানোর প্রতিশ্রুতি দিয়েছে। ইন্দোনেশিয়ার প্রেসিডেন্ট প্রাবোও সুবিয়ান্তো একাই ৮ হাজার সৈন্য পাঠানোর ঘোষণা দিয়েছেন। এই বাহিনী একজন মার্কিন জেনারেলের নেতৃত্বে রাফাহ থেকে তাদের কার্যক্রম শুরু করবে এবং মোট ১২ হাজার পুলিশ ও ২০ হাজার সেনার একটি স্থায়ী কাঠামো তৈরি করবে।

হামাসের প্রতিক্রিয়া ও সমালোচনা:
হামাসের মুখপাত্র হাজেম কাসেম জানিয়েছেন, যেকোনো আন্তর্জাতিক বাহিনীকে অবশ্যই ইসরায়েলি আগ্রাসন বন্ধে কাজ করতে হবে। নিরস্ত্রীকরণ প্রসঙ্গে সরাসরি কোনো প্রতিশ্রুতি না দিলেও বিষয়টি নিয়ে আলোচনার সুযোগ রয়েছে বলে জানান তিনি। এদিকে, ফিলিস্তিনি প্রতিনিধিদের বাদ দিয়ে ইসরায়েলি প্রতিনিধিদের অন্তর্ভুক্ত করায় পর্ষদটি তীব্র সমালোচনার মুখে পড়েছে। আল-জাজিরার প্রতিবেদন অনুযায়ী, জার্মানি ও যুক্তরাজ্যসহ ডজনখানেক দেশ পূর্ণ সদস্য না হয়ে কেবল ‘পর্যবেক্ষক’ হিসেবে এই বৈঠকে অংশ নিয়েছে।



আপনার মূল্যবান মতামত দিন: