এরদোয়ানের ঘোষণা, সিরিয়ার মালিক শুধুই সিরীয়রা

মুনা নিউজ ডেস্ক | ৮ ডিসেম্বর ২০২৪ ২০:৫৫

কথা বলছেন এরদোয়ান কথা বলছেন এরদোয়ান

সিরিয়ার ঘটনায় গুরুত্ব দিয়ে এরদোয়ান বলেছেন, সিরিয়ার ইদলিবে বেসামরিকদের ওপর ক্রমবর্ধমান হামলা সাম্প্রতিক ঘটনাগুলোর সূত্রপাত করেছে। তিনি বলেন, সিরিয়ায় একটি নতুন রাজনৈতিক ও কূটনৈতিক বাস্তবতা রয়েছে, যা আঙ্কারা উপেক্ষা করতে পারে না। কেননা, সংঘাত-বিধ্বস্ত দেশটির সঙ্গে তাদের ৯১০ কিলোমিটার (৫৬৫ মাইল) সীমান্ত রয়েছে।

তিনি আরও বলেন, ‘সব জাতিগত, সাম্প্রদায়িক ও ধর্মীয় উপাদানসহ সিরিয়া শুধুই সিরীয়দের।’ পিকেকে সন্ত্রাসী সংগঠনের ক্রমবর্ধমান হুমকির বিষয়েও সতর্ক করেছেন এরদোয়ান। সঙগঠনটি সিরিয়ায় নিজ স্বার্থের জন্য নতুন সংঘাতের মাধ্যমে তৈরি হওয়া ক্ষমতার শূন্যতার অপব্যবহার করতে চায়।
জাতীয় নিরাপত্তাকে বিপন্ন করে এমন কোনও পদক্ষেপ তুরস্ বরদাস্ত করবে না বলেও জোর দেন তিনি।

প্রেসিডেন্ট এরদোগান আরও বলেন, তুরস্ক যে হাত বাড়িয়ে দিয়েছিল এবং এর অর্থ কী দামেস্ক শাসন তা বুঝতে ব্যর্থ হয়েছে।

ভাষণে এরদোয়ান আরও বলেন, তুর্কি এমন একটি সিরিয়া দেখতে চায় যেখানে বিভিন্ন পরিচিতির মানুষ শান্তিপূর্ণভাবে পাশাপাশি বসবাস করে এবং সেই দৃষ্টিভঙ্গি ‘অদূর ভবিষ্যতে’ বাস্তবে রূপ নেবে।

আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলোসহ সব দায়িত্বশীল নেতা যদি সিরিয়ার আঞ্চলিক অখণ্ডতাকে সমর্থন করে তবে তা এই অঞ্চলের জন্য তা সর্বোত্তম হবে বলেও জোর দেন তিনি।

২৭ নভেম্বর আলেপ্পো শহরের পশ্চিমে গ্রামীণ এলাকায় শাসক বাহিনী ও শাসকবিরোধী দলগুলোর মধ্যে নতুন করে লড়াই শুরু হয়। ৩০ নভেম্বরের মধ্যে বিরোধী বাহিনী আলেপ্পো শহরের কেন্দ্রের অধিকাংশ নিয়ন্ত্রণ নেয় এবং ইদলিব প্রদেশজুড়ে আধিপত্য প্রতিষ্ঠা করে। ১ ডিসেম্বর বিরোধী সিরিয়ান ন্যাশনাল আর্মি আলেপ্পোর গ্রামাঞ্চলের তেল রিফাত জেলায় সন্ত্রাসী গোষ্ঠী পিকেকে/ওয়াইপিজির বিরুদ্ধে অপারেশন ডন অব ফ্রিডম শুরু করে এলাকাটিকে সন্ত্রাসী উপাদান থেকে মুক্ত করে। এর পর বৃহস্পতিবার হামা এবং শুক্রবার হোমস প্রদেশ দখল করে পরিশেষে দামেস্ক দখল করে নেয়। ফলে পালাতে বাধ্য হন স্বৈরশাসক বাশার আল আসাদ।

 



আপনার মূল্যবান মতামত দিন: