ছবি : সংগৃহীত
কারাগারে বন্দিজীবনে স্বজনদের সরাসরি দেখার আকুলতা দূর করতে এবার ভিডিও কলের মাধ্যমে কথা বলার বিশেষ সুবিধা চালু করতে যাচ্ছে কারা অধিদপ্তর। ইতিমধ্যে মুন্সিগঞ্জ জেলা কারাগারে পাইলট প্রকল্প হিসেবে এটি চালুর পর, খুব শীঘ্রই সারা দেশের কারাগারে নির্দিষ্ট নিয়মে সপ্তাহে একবার ১০ মিনিট পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে ভিডিও কলে কথা বলার সুযোগ পাবেন কয়েদি ও হাজতিরা।
বন্দীদের সংশোধন ও পুনর্বাসনের অংশ হিসেবে কারাগারগুলোতে খেলাধুলা, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, কাউন্সেলিং এবং উৎপাদনমুখী প্রশিক্ষণ জোরদার করা হয়েছে। কাশিমপুর কেন্দ্রীয় কারাগার-২ এ সাবান উৎপাদন এবং ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে চীন থেকে আমদানিকৃত আধুনিক রুটি মেকার স্থাপনের মাধ্যমে স্বাস্থ্যসম্মত খাবার নিশ্চিত করা হচ্ছে। পাশাপাশি কেরানীগঞ্জে কেন্দ্রীয় কারা হাসপাতাল নির্মাণ, ৫৫ জন ডিপ্লোমা নার্স পদায়ন এবং মাদক প্রতিরোধে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতির আওতায় সদর দপ্তরে ড্রাগ পরীক্ষার মেশিন সংগ্রহ করা হয়েছে।
পাশাপাশি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য অবসর-পরবর্তী আজীবন রেশন সুবিধা নীতিগতভাবে অনুমোদন করা হয়েছে এবং সিলেট, কিশোরগঞ্জ ও খুলনা কারাগারে প্রায় ১৮ হাজার গাছ লাগিয়ে পরিবেশবান্ধব সবুজায়ন কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হয়েছে। এসব বহুমুখী পদক্ষেপের মাধ্যমে কারাগারগুলোকে নিরাপদ, স্বচ্ছ, প্রযুক্তিনির্ভর এবং সত্যিকারের সংশোধনকেন্দ্রে রূপান্তরের কাজ চলছে।