ফাইল ছবি
ওষুধ পরিবেশকদের (ডিস্ট্রিবিউটর) খরচের ওপর ভিত্তি করে ব্যবসায়িক মুনাফার সীমা সর্বোচ্চ ৩০ শতাংশ বেঁধে দেওয়ার উদ্যোগ নিচ্ছে ভারত সরকার। ক্যানসারের দামি ওষুধগুলোর পাশাপাশি প্যাটেন্ট করা কিছু ওষুধও এর আওতায় থাকবে। ফলে সর্বোচ্চ খুচরা মূল্য ৭০ শতাংশ পর্যন্ত কমে যেতে পারে।
এই হারে দাম কমলে ক্যানসার আক্রান্ত রোগীরা বড় ধরনের স্বস্তি পাবেন। রোগটির ওষুধের বাজারে অতিরিক্ত মুনাফা নিয়ন্ত্রণের লক্ষ্যে এমন সিদ্ধান্ত নেওয়া হচ্ছে। ২০১৯ সালে পরীক্ষামূলকভাবে ক্যানসারের ৪২টি ওষুধের মুনাফায় সীমা বেঁধে দেওয়া হয়েছিল। এর ধারাবাহিকতায় নতুন পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে।
আগামী ১০ দিনের মধ্যে সিদ্ধান্তটি কার্যকর হওয়ার কথা। তবে এর প্রকৃত প্রভাব কয়েকটি বিষয়ের ওপর নির্ভর করছে। কোন ওষুধগুলো নতুন নিয়মের আওতায় থাকবে সেটির একটি তালিকা তৈরি করা হচ্ছে। ভারতে ক্যানসার চিকিৎসায় ওষুধগুলো অনুমোদিত ও বহুল ব্যবহৃত কি না সেটি বাছাই প্রক্রিয়ায় বিবেচনা করা হবে।
ফার্মাসিউটিক্যালস বিভাগের সূত্র জানিয়েছে, ওষুধ কতটা দামি সেটি এখানে গুরুত্বপূর্ণ। কম দামের ওষুধের ক্ষেত্রে ৩০ শতাংশের সীমা কার্যকর করা হলে কোম্পানিগুলো বাজারজাত করতে আগ্রহ হারাবে। কারণ, নির্ধারিত মুনাফার সীমা তখন বিপণন ও বিতরণ ব্যয় মেটানোর জন্য যথেষ্ট নাও হতে পারে।
ওই সূত্র আরও জানায়, রোগীর চিকিৎসা ব্যয়ে যেসব ওষুধের চড়া দাম বেশি প্রভাব ফেলে, সেগুলোকে নতুন নিয়মের আওতায় আনতে চাইছে ভারত সরকার। কম দামি ওষুধের সরবরাহ ও বিতরণে যাতে কোনো ধরনের সংকট তৈরি না হয়, সে জন্য ঢালাওভাবে সব ওষুধের ওপর মূল্যসীমা আরোপ করা হবে না।