ফাইল ছবি
প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে এখনই ইরানে হামলা না করার পরামর্শ দিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স।
গত দুই সপ্তাহ ধরে ইরানে সরকারবিরোধী বিক্ষোভ চলছে। ওই বিক্ষোভে প্রকাশ্যেই সমর্থন জানিয়েছেন ট্রাম্প এবং তার প্রশাসন। বিক্ষোভ দমন করতে যে পদক্ষেপ নিচ্ছে তেহরান, তাতেও অসন্তুষ্ট যুক্তরাষ্ট্র। এরই মধ্যে ইরানের উদ্ভূত পরিস্থিতিতে কীভাবে হস্তক্ষেপ করা যায়, কী কী কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া যায়, আমেরিকান বাহিনীর সামনে কী বিকল্প রয়েছে, তা নিয়ে আলোচনা হয়েছে যুক্তরাষ্ট্রে। সামরিক পদক্ষেপের সম্ভাবনাও উড়িয়ে দেওয়া হচ্ছিল না। কিন্তু এরই মধ্যে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ট্রাম্প ঘোষণা করেন, ইরানের সঙ্গে যারা বাণিজ্য করবে তাদের উপরে শুল্ক চাপাবে যুক্তরাষ্ট্র।
সংবাদমাধ্যম ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল জানায়, ট্রাম্প প্রশাসনের কয়েকজন শীর্ষ কর্মকর্তা ট্রাম্পকে পরামর্শ দেন যাতে এখনই ইরানে হামলা না করা হয়। হামলার আগে কূটনৈতিক স্তরে কী কী সম্ভাবনা রয়েছে, তা পরখ করার প্রস্তাব দেন তারা। একই প্রস্তাব দেন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভান্সও। তারপরেই কূটনৈতিকভাবে কীভাবে ইরানকে চাপে ফেলা যায়, সেই দিকগুলো বিবেচনা করে দেখা শুরু হয় হোয়াইট হাউসে। যদিও জেডি ভান্সের মুখপাত্র উইলিয়াম মার্টিন জানান, এটি সম্পূর্ণ সত্য নয়। তার কথায়, “ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স এবং পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও মিলে প্রেসিডেন্টের কাছে কিছু সম্ভাবনাময় পথ তুলে ধরেন। সেখানে কূটনৈতিক পদক্ষেপ থেকে শুরু করে সামরিক পদক্ষেপ, সবই ছিল।” মার্টিনের দাবি, ভ্যান্স এবং রুবিও কোনও পক্ষপাতিত্ব না করে বিকল্প সম্ভাবনাগুলো তুলে ধরেছেন।
সামরিক পদক্ষেপ থেকে যে ট্রাম্প প্রশাসন পিছিয়ে আসছে, তার আভাস পাওয়া গিয়েছিল সোমবারই। আচমকা ট্রাম্প দাবি করেন, ইরান থেকে পরমাণু-সমঝোতার আহ্বান জানানো হয়েছে তাকে। প্রেসিডেন্ট জানান, ইরান থেকে তাকে ফোন করা হয়েছিল। সমঝোতার বার্তা দেওয়া হয়েছে। এমনকি, ইরানের নেতৃত্বের সঙ্গে একটি বৈঠকের আয়োজনও করছেন তিনি, এমনটাও শোনা যাচ্ছিল। এরই মধ্যে হোয়াইট হাউসের প্রেসসচিব ক্যারোলিন লেভিট বলেন, “প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প একটি বিষয়ে খুব পারদর্শী, তিনি সকল বিকল্প পথকে আলোচনার টেবিলে খোলা রাখেন। সেই অনেক বিকল্পগুলোর মধ্যে একটি রয়েছে বিমান হামলাও।”
আপনার মূল্যবান মতামত দিন: