ছবি : গ্রাফিক্স
যুক্তরাষ্ট্রে বর্তমানে প্রায় ৫ লাখ বাংলাদেশি বসবাস করছেন। নিউইয়র্ক, মিশিগান কিংবা টেক্সাস প্রতিটি অঙ্গরাজ্যেই বাড়ছে বাঙালিদের কর্মতৎপরতা। আর তাদের কষ্টার্জিত আয়ে সমৃদ্ধ হচ্ছে বাংলাদেশের অর্থনীতি।
পরিসংখ্যান বলছে, দেশে রেমিট্যান্স পাঠানোর ক্ষেত্রে সৌদি আরবের পরেই এখন যুক্তরাষ্ট্রের অবস্থান। তবে চলতি বছরের শুরু থেকেই অর্থ পাঠানোর নতুন এক নিয়ম দুশ্চিন্তায় ফেলেছে যুক্তরাষ্ট্র প্রবাসীদের।
এখন থেকে ক্যাশ বা চেকে অর্থ পাঠালে তাদের গুণতে হবে বাড়তি ১ শতাংশ ট্যাক্স। তবে ডিজিটাল মাধ্যমে লেনদেনে মিলবে ছাড়। তবে, ব্যাংক অ্যাকাউন্ট, ডেবিট কার্ড কিংবা মোবাইল অ্যাপের মতো ডিজিটাল মাধ্যমে অর্থ পাঠালে বাড়তি ট্যাক্স দিতে হবে না। আর ব্যাংকিং চ্যানেলে পাঠালে আড়াই শতাংশ প্রণোদনা দেবে বাংলাদেশ ব্যাংক।অর্থনীতিবিদরা মনে করেন, এ ধরনের ট্যাক্স আরোপের খুব একটা প্রভাব পড়বে না, রেমিট্যান্স প্রবাহে।
বেসরকারি গবেষণা সংস্থা পলিসি রিসার্চ ইনস্টিটিউটের (পিআরআই) চেয়ারম্যান ড. জাহিদী সাত্তার বলেছেন, আমেরিকা থেকে প্রচুর রেমিট্যান্স বাইরে যায়। রাজস্ব বাড়ানোর জন্য এক শতাংশ ট্যাক্স, যদিও খুব বেশি না, তবুও একটা নেগেটিভ ইমপ্যাক্ট আছে। কিন্তু আমাদের যে রেমিট্যান্স আসছিল তা কমবে না।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, না জেনে ভুল পদ্ধতিতে অর্থ পাঠালে প্রবাসীরা অজান্তেই বাড়তি খরচের মুখে পড়বেন। তাই অবৈধ হুন্ডি কিংবা ম্যানুয়াল পদ্ধতি বাদ দিয়ে বৈধ ও ডিজিটাল পথ অনুসরণ করাই এখন সবচেয়ে নিরাপদ।
আপনার মূল্যবান মতামত দিন: