ফাইল ছবি
ইন্দোনেশিয়ার বিনামূল্যে পুষ্টিকর খাবার বিতরণ কর্মসূচি পবিত্র রমজান মাসেও চালু থাকবে, বিশেষ করে গর্ভবতী নারী, স্তন্যদানকারী মা এবং ছোট বাচ্চাদের মাঝে খাবার বিতরণ করা হবে।
দেশটির জাতীয় পুষ্টি সংস্থা বিজিএন নিশ্চিত করেছে যে, ছুটির দিন বা ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠান পালনের সময় এই শ্রেণির মানুষের জন্য পুষ্টি সহায়তা বন্ধ থাকতে পারে না। বিজিএন প্রধান দাদান হিন্দায়ানা বলেছেন, এই কর্মসূচির মূল অগ্রাধিকার হলো- একটি শিশুর জীবনের গুরুত্বপূর্ণ প্রথম ১ হাজার দিন।
‘এ জন্যই স্কুল ছুটি এবং রমজান মাসে, এই কর্মসূচি অব্যাহত থাকবে’, তিনি উত্তর জাকার্তার একটি স্কুল পরিদর্শনের সময় ব্যাখ্যা করেছিলেন। ‘এই স্বর্ণযুগটি খর্বতা রোধ এবং প্রাথমিক মস্তিষ্কের বিকাশকে সমর্থন করার জন্য খুবই সংক্ষিপ্ত এবং নির্ণায়ক।’
তিনি জোর দিয়ে বলেন, দীর্ঘমেয়াদী শারীরিক এবং জ্ঞানীয় ফলাফলের জন্য বছরব্যাপী ধারাবাহিক সহায়তা অপরিহার্য।
প্রেসিডেন্ট প্রাবোও সুবিয়ানতো কর্তৃক চালু করা এই কর্মসূচি চালু হওয়ার পর থেকে তা দিন দিন বাড়ছে। ২০২৫ সালের শেষ নাগাদ এটি প্রায় ৫৫.১ মিলিয়ন সুবিধাভোগীর কাছে পৌঁছেছে। সরকারের লক্ষ্য ৮২.৯ মিলিয়ন মানুষের কাছে এর আওতা সম্প্রসারণ করা।
হিন্দায়ানা আরও জানিয়েছেন, দেশজুড়ে প্রায় ২০ হাজার কমিউনিটি রান্নাঘরে খাবার প্রস্তুতের জন্য প্রয়োজনীয় জনবল নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। যার ফলে অতিরিক্ত কর্মসংস্থান তৈরি হয়েছে।
২০২৪ সালে প্রেসিডেন্ট প্রাবোও সুবিয়ানতোর প্রধান নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি ছিল এই প্রকল্প, যার লক্ষ্য ছিল প্রায় সাড়ে আট কোটি স্কুলশিক্ষার্থী ও গর্ভবতী নারীর কাছে খাবার পৌঁছে দেওয়া। তবে উচ্চ ব্যয় এবং ক্রমবর্ধমান খাদ্য নিরাপত্তা উদ্বেগের কারণে এটি বিতর্কিত হয়ে উঠেছে। ২০২৬ সালের জন্য এই বরাদ্দ দ্বিগুণ করে ৩৩৫ ট্রিলিয়ন রুপিয়াহ নির্ধারণ করা হয়েছে।
আপনার মূল্যবান মতামত দিন: