ছবি : সংগৃহীত
জাতিসংঘের ৮১তম অধিবেশনের সভাপতি খলিলুর রহমানের কার্যালয়ে ব্যারিস্টার জাইমা রহমানের লিগ্যাল অফিসার হিসেবে নিয়োগ পাওয়ার প্রক্রিয়ার সঙ্গে বাংলাদেশ সরকারের ন্যূনতম কোনো সংশ্লিষ্টতা নেই বলে স্পষ্ট করেছেন প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা উপদেষ্টা মাহদী আমিন।
দেশে এ বিষয়ে চলমান বিভিন্ন অপপ্রচার ও গুজবের কঠোর সমালোচনা করে তিনি জানান, সম্পূর্ণ পেশাদার শর্ত ও নিজের মেধা-যোগ্যতার বলেই তিনি এই মর্যাদাপূর্ণ পদে নির্বাচিত হয়েছেন।
বুধবার বিকেলে তেজগাঁওয়ে অবস্থিত প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের ‘করবী’ হলে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রীর যুক্তরাষ্ট্র সফর সম্পর্কে বিস্তারিত তুলে ধরার সময় মাহদী আমিন এই বক্তব্য দেন। তিনি গণমাধ্যমকে জানান, জাতিসংঘের নিজস্ব রুলস, রেগুলেশন এবং এক্সিকিউটিভ অফিসের নির্দিষ্ট রিক্রুটমেন্ট প্রসিডিউর বা নিয়োগ প্রক্রিয়ার মাধ্যমেই এই পদের কার্যক্রম পরিচালিত হয়, যেখানে বাহ্যিক কোনো প্রভাবের সুযোগ নেই।
নিয়োগের পেছনের পেশাদার যোগ্যতা সম্পর্কে ব্যাখ্যা দিয়ে প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা বলেন, জাইমা রহমান সম্পূর্ণ নিজ যোগ্যতায় ‘পি-৩’ ক্যাটাগরির একটি পেশাদার পদে আবেদন করে নির্বাচিত হয়েছেন। জাতিসংঘের নিয়োগবিধি অনুযায়ী পি-১ বা পি-২ স্তরের জন্য যথাক্রমে ন্যূনতম অভিজ্ঞতা প্রয়োজন হলেও, পি-৩ বা প্রফেশনাল-৩ স্তরের পদের জন্য অন্তত পাঁচ বছরের বাস্তব পেশাদার অভিজ্ঞতা থাকা বাধ্যতামূলক।