আমেরিকান সহকারী পররাষ্ট্রমন্ত্রী পল কাপুরের সাথে বিএনপির প্রতিনিধিদলের সাক্ষাৎ

মুনা নিউজ ডেস্ক | ৫ মার্চ ২০২৬ ২১:২৩

ছবি: সংগৃহীত ছবি: সংগৃহীত

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. আব্দুল মঈন খান বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্র ও বাংলাদেশের জনগণের মধ্যে পারস্পরিক সম্পর্কের বিষয়গুলো, সরকারের নীতিমালার বিষয়গুলো এবং বিশ্বে বিভিন্ন ধরনের যে ঘটনা প্রবাহ, সে সমস্ত কিছু নিয়ে বৃহস্পতিবার আলোচনা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার যুক্তরাষ্ট্রের সহকারী পররাষ্ট্রমন্ত্রী পল কাপুরের সাথে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের তিনি এসব কথা বলেন। বাংলাদেশ সময় বেলা ১১টায় গুলশানে যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূতের বাসভবনে এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে বিএনপির স্থায়ী কমিটি সদস্য ড. আব্দুল মঈন খানের নেতৃত্বে পাঁচ সদস্যের প্রতিনিধিদল অংশ নেন। অন্য সদস্যরা হলেন সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার নওশাদ জমির। ডা. মাহবুবুর রহমান, নায়েবা ইউসুফ, ঢাকা জেলা বিএনপি সাধারণ সম্পাদক নিপুণ রায় চৌধুরী। বৈঠক শেষ হয় ১১টা ৫০ মিনিট।

এ ব্যাপারে মঈন খান বলেন, এটা তো বলার অপেক্ষা রাখে না যে আমেরিকা বাংলাদেশের শুভাকাঙ্ক্ষী। রাষ্ট্র হিসেবে আমাদের অতীতে বিভিন্নভাবে সহযোগিতা করেছে। দেশে নতুন সরকার গঠিত হয়েছে, কাজেই তারা স্বাভাবিকভাবেই এদেশে আসবে।

তিনি বলেন, বাংলাদেশ কী হচ্ছে? আমাদের নীতিমালাগুলো কী? আমাদের ভবিষ্যৎ কর্মপন্থা কী? বিশ্বের বিভিন্ন দেশের সাথে আমাদের সম্পর্ক, বিশেষ করে আমেরিকার সাথে আমাদের সম্পর্কের সার্বিক বিষয়ে আলোচনা করার জন্যই এসেছে।বাংলাদেশ সংবাদ

অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের শেষ সময়ে যুক্তরাষ্ট্রের সাথে একটা চুক্তি হয়েছে। বিএনপি ও জামায়াতের ‘সম্মতি’ নিয়ে চুক্তি হয়েছে বলে জানিয়েছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান। আজকের বৈঠকে এ বিষয়ে কোনো আলোচনা হয়েছে কিনা- এমন প্রশ্নের জবাবে মঈন খান বলেন, এ বিষয়টি নিয়ে তারা সরকারের সাথে আলোচনা করেছে। কী আলোচনা করেছে সেটা হয়তো সরকার আপনাদের জানিয়েছে এবং তারাও আপনাদের জানাবে।

তিনি বলেন, আজকে আমরা যে বিষয়গুলো নিয়ে আলোচনা করেছি, সেগুলো মূলত দু’টি দেশের জনগণের মধ্যে পারস্পরিক সম্পর্কের বিষয়গুলো, সরকারের নীতিমালার বিষয়গুলো এবং বিশ্বে বিভিন্ন ধরনের যে ঘটনা প্রবাহ সে সমস্ত কিছু নিয়ে আজকের আলোচনা।

সংসদে বিরোধী দলের অবস্থানটা কী হবে? সেই বিষয়গুলো নিয়ে আলোচনা হয়েছে কিনা- জানতে চাইলে বিএনপির এই নেতা বলেন, বিরোধী দলের বিষয় নিয়ে সরাসরি আমাদের সাথে কোনো আলোচনা হয়নি। সেটা হয়তো তারা বিরোধী দলের সাথে করে থাকতে পারে। সেটা আমাদের বিবেচনার বিষয় নয়। বিবেচনার বিষয় হচ্ছে, আমেরিকার সাথে আমাদের ডিপ্লোমেটিক রিলেশন, বৈদেশিক সম্পর্ক এবং অর্থনৈতিক সম্পর্ক।



আপনার মূল্যবান মতামত দিন: