07/26/2026 আমেরিকান একাডেমি অফ শেফসে অন্তর্ভুক্ত হলেন বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত শেফ নাজিম খান
মুনা নিউজ ডেস্ক
২৪ জুলাই ২০২৬ ১৮:৫৩
বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন রন্ধনশিল্পী শেফ নাজিম খান যুক্তরাষ্ট্রের মর্যাদাপূর্ণ আমেরিকান একাডেমি অব শেফস (American Academy of Chefs–AAC)-এ অন্তর্ভুক্ত হয়েছেন। যুক্তরাষ্ট্রে টানা ৩৩ বছরের পেশাগত অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে তিনি এ সম্মান অর্জন করেন। রন্ধনশিল্প পেশায় এটিকে অন্যতম সর্বোচ্চ স্বীকৃতি হিসেবে বিবেচনা করা হয়।
১৯৯২ সালের সেপ্টেম্বরে আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থী হিসেবে বাংলাদেশ থেকে যুক্তরাষ্ট্রে পাড়ি জমান নাজিম খান। স্বপ্ন, অধ্যবসায় ও কঠোর পরিশ্রমের মধ্য দিয়ে শুরু হওয়া সেই যাত্রা তাকে বিশ্ব রন্ধনশিল্পের অন্যতম মর্যাদাপূর্ণ অবস্থানে পৌঁছে দিয়েছে।
নিজের এ অর্জন প্রসঙ্গে নাজিম খান বলেন, যুক্তরাষ্ট্র তাকে এমন সুযোগ দিয়েছে, যা তার জীবনকে বদলে দিয়েছে। কর্মনিষ্ঠা, অধ্যবসায় এবং অসংখ্য শুভাকাঙ্ক্ষীর সহযোগিতায় তিনি রন্ধনশিল্প, শিক্ষা ও সেবার ক্ষেত্রে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করতে সক্ষম হয়েছেন।
বর্তমানে তিনি যুক্তরাষ্ট্রের Bryan Health-এ এক্সিকিউটিভ শেফ হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। পাশাপাশি ইউনিভার্সিটি অব নেব্রাস্কা–লিংকন-এ ভবিষ্যৎ আতিথেয়তা খাতের পেশাজীবীদের প্রশিক্ষণ দিচ্ছেন। তিনি ওয়ার্ল্ডশেফস সার্টিফায়েড মাস্টার শেফ (WCMC) এবং সার্টিফায়েড এক্সিকিউটিভ শেফ (CEC) উপাধিধারী। এছাড়া ওয়ার্ল্ডশেফস ও বাংলাদেশ কালিনারি ফাউন্ডেশন-এর মাধ্যমে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের শেফদের সঙ্গে কাজ করে আসছেন।
নাজিম খান বলেন, এই স্বীকৃতিকে তিনি কেবল ব্যক্তিগত অর্জন হিসেবে দেখেন না। তার ভাষায়, এ সম্মানের পেছনে সবচেয়ে বড় অবদান তার স্ত্রী শম্পার, যিনি সবসময় তার পাশে থেকেছেন। পাশাপাশি সহকর্মী, শিক্ষক, শিক্ষার্থী, বন্ধু, পরিবার এবং পেশাজীবনের বিভিন্ন পর্যায়ে সহযোগিতা করা সবার প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন তিনি।
তিনি বিশেষভাবে আমেরিকান কালিনারি ফেডারেশন (ACF), ওয়ার্ল্ডশেফস, বাংলাদেশ কালিনারি ফাউন্ডেশন এবং তার পেশাগত জীবনের বিভিন্ন মেন্টর ও সহযাত্রীদের ধন্যবাদ জানান।
যুক্তরাষ্ট্রের স্বাধীনতার ২৫০ বছর পূর্তি উদযাপনের প্রেক্ষাপটে নিজের ৩৩ বছরের প্রবাসজীবনের কথা স্মরণ করে নাজিম খান বলেন, একজন স্বপ্নবাজ অভিবাসী হিসেবে আমি যে সুযোগগুলো পেয়েছি, সেগুলোর জন্য আমি কৃতজ্ঞ। ভবিষ্যতেও নতুন প্রজন্মের শেফদের মেন্টরিং করা এবং খাবারের মাধ্যমে বিভিন্ন সংস্কৃতির মানুষের মধ্যে সেতুবন্ধন গড়ে তুলতে চাই।
A Publication of MUNA National Communication, Media & Cultural Department. 1033 Glenmore Ave, Brooklyn, NY 11208, United States.