05/01/2026 ইরান রণকৌশল নির্ধারণে ট্রাম্পের নজরে আসন্ন চীন সফর: বেইজিংয়ের বৈঠকেই কি মিলবে সমাধান?
মুনা নিউজ ডেস্ক
১ মে ২০২৬ ১৭:০৫
ইরান সংকটের ভবিষ্যৎ গতিপথ নির্ধারণে এখন সবচেয়ে বড় প্রভাবক হিসেবে দেখা দিচ্ছে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের আসন্ন চীন সফর। আগামী ১৪ মে বেইজিংয়ে চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের সঙ্গে একটি উচ্চপর্যায়ের বৈঠকে বসতে যাচ্ছেন ট্রাম্প।
ধারণা করা হচ্ছে, এই আলোচনার মূল কেন্দ্রবিন্দুতে থাকবে ‘ইরান ইস্যু’। হোয়াইট হাউসের অভ্যন্তরীণ সূত্র এবং এনবিসি নিউজের প্রতিবেদন অনুযায়ী, তেহরানের বিরুদ্ধে পরবর্তী সামরিক বা কূটনৈতিক পদক্ষেপ কী হবে, তা চূড়ান্ত করার ক্ষেত্রে এই সফরকে অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ‘ফ্যাক্টর’ হিসেবে বিবেচনা করছে ট্রাম্প প্রশাসন।
এর আগে যুদ্ধের উত্তেজনার কারণে সফরের তারিখ পিছিয়ে দেওয়া হলেও, এখন ১৪ ও ১৫ মে সফরের সময়সূচি চূড়ান্ত করা হয়েছে। হোয়াইট হাউসের কর্মকর্তাদের মতে, এটি একটি ‘অগ্রাধিকারমূলক’ সফর যা প্রশাসন আর স্থগিত করতে চায় না। নিউ ইয়র্ক টাইমসের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গুরুত্বপূর্ণ এই সফরের আগে হরমুজ প্রণালী এবং ইরানের বন্দরগুলোর ওপর আরোপিত দ্বিমুখী অবরোধ পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলেছে। বিশেষ করে বেইজিং যখন যুদ্ধ বন্ধে ‘গঠনমূলক ভূমিকা’ পালনের কথা বলছে, তখন যুক্তরাষ্ট্র বেশ কিছু চীনা তেল শোধনাগার ও শিপিং কোম্পানির ওপর নিষেধাজ্ঞা দিয়ে রেখেছে।
আমেরিকার অভিযোগ, ওই চীনা কোম্পানিগুলো ইরানের সঙ্গে তেল ব্যবসা করছে যা বর্তমানে দেশটির নিষেধাজ্ঞার আওতাভুক্ত। এদিকে প্রতিবেশী দেশগুলোর মতো চীনও তার প্রয়োজনীয় তেলের বড় অংশ হরমুজ প্রণালী দিয়ে আমদানি করে, যা গত মার্চের শুরু থেকে বন্ধ রয়েছে। বিশ্লেষকরা মনে করছেন, বেইজিংয়ের সাথে সম্পর্কের বড় ধরনের টানাপড়েন এড়াতে ইরানের বিরুদ্ধে পরবর্তী পদক্ষেপে কিছুটা সতর্কতা অবলম্বন করতে পারে ওয়াশিংটন। ফলে ইরান যুদ্ধের ভবিষ্যৎ অনেকটা ঝুলে আছে ট্রাম্প ও শি জিনপিংয়ের আসন্ন এই বৈঠকের ওপর।
A Publication of MUNA National Communication, Media & Cultural Department. 1033 Glenmore Ave, Brooklyn, NY 11208, United States.