04/13/2026 ফিলিস্তিন ইস্যু নিয়ে দক্ষিণ কোরিয়া ও ইসরায়েলের মধ্যে কূটনৈতিক উত্তেজনা তুঙ্গে
মুনা নিউজ ডেস্ক
১২ এপ্রিল ২০২৬ ১৭:২২
মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগকে কেন্দ্র করে দক্ষিণ কোরিয়ার প্রেসিডেন্ট লি জে-মিউং এবং ইসরায়েলি কর্মকর্তাদের মধ্যে বাকযুদ্ধ চরম আকার ধারণ করেছে। একটি ভাইরাল ভিডিওতে ইসরায়েলি বাহিনীর হাতে ফিলিস্তিনি নাগরিক নির্যাতনের দৃশ্যকে কেন্দ্র করে এই বিবাদের সূত্রপাত।
ঘটনার সূত্রপাত হয় যখন প্রেসিডেন্ট লি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি বিতর্কিত ভিডিওর নিচে মন্তব্য করেন। ওই ভিডিওতে দাবি করা হয়েছিল যে, ইসরায়েলি সেনারা এক ফিলিস্তিনি শিশুকে নির্যাতন করছে। শুক্রবার এক পোস্টে লি লেখেন, "আমাকে খতিয়ে দেখতে হবে এটি সত্য কি না—আর যদি সত্য হয়, তবে এ বিষয়ে কী ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।" যদিও ভিডিওটির সত্যতা নিয়ে ধোঁয়াশা রয়েছে, তবে এটি বিশ্বজুড়ে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে।
এর প্রতিক্রিয়ায় ইসরায়েলের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় শনিবার কড়া বিবৃতি দেয়। তারা প্রেসিডেন্ট লি-র পদক্ষেপকে "অদ্ভুত" হিসেবে বর্ণনা করে দাবি করে যে, এটি ২০২৪ সালের একটি পুরোনো ও মীমাংসিত ঘটনা, যা অপপ্রচারের উদ্দেশ্যে পুনরায় প্রচার করা হচ্ছে। ইসরায়েলের দাবি, সংশ্লিষ্ট অ্যাকাউন্টটি উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে মিথ্যে তথ্য ছড়ায়।
পরিস্থিতি শান্ত করতে দক্ষিণ কোরিয়ার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে বলা হয়, প্রেসিডেন্টের মন্তব্য কোনো নির্দিষ্ট দেশের বিরুদ্ধে নয়, বরং এটি ছিল ‘সর্বজনীন মানবাধিকারের’ পক্ষে একটি আহ্বান। তবে প্রেসিডেন্ট লি নিজের অবস্থানে অনড় থেকে শনিবার পুনরায় ক্ষোভ প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, "এটি অত্যন্ত হতাশাজনক যে, আন্তর্জাতিক আইন ও মানবাধিকার লঙ্ঘনের ফলে বিশ্বজুড়ে যে মানুষেরা লড়াই করছে, তাদের সমালোচনার দিকটি একবারও গুরুত্ব দিয়ে ভাবা হচ্ছে না।"
সাধারণত মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাত নিয়ে ভারসাম্যপূর্ণ নীতি বজায় রাখলেও, প্রেসিডেন্টের এই সরাসরি অবস্থান দক্ষিণ কোরিয়ার চিরাচরিত কূটনৈতিক ধারায় এক নতুন মাত্রা যোগ করেছে। বিশ্বজুড়ে মানবাধিকার ও শান্তি রক্ষার এই আহ্বান সিউল ও তেল আবিবের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কে কি
A Publication of MUNA National Communication, Media & Cultural Department. 1033 Glenmore Ave, Brooklyn, NY 11208, United States.