02/03/2026 যুক্তরাষ্ট্রের সাথে পারমাণবিক আলোচনা শুরু করতে ইচ্ছুক ইরান
মুনা নিউজ ডেস্ক
৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ১৮:৪৫
প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প গত সোমবার হুমকি দেন, ‘আমি আশাবাদী, ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যে কোনো একটি বন্দোবস্ত হবে। তবে যদি কোনো চুক্তি না হয়, তাহলে ইরানের জন্য খারাপ পরিণতি অপেক্ষা করছে।’
এর মধ্যেই ইরান নতুন করে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে পরমাণু চুক্তি নিয়ে আলোচনায় বসতে যাচ্ছে বলে নিশ্চিত করেছেন দেশটির প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান। মঙ্গলবার এই তথ্য জানা যায়।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া পোস্টে পেজেশকিয়ান বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ইতিবাচক পরিবেশে, হুমকি ও অযৌক্তিক প্রত্যাশাবিহীন একটি ন্যায্য ও সমতাপূর্ণ দরকষাকষিতে অংশ নেওয়ার জন্য আমি পররাষ্ট্রমন্ত্রীকে নির্দেশ দিয়েছি। এই আলোচনা আমাদের জাতীয় স্বার্থের কাঠামোর মধ্যেই পরিচালিত হবে।
তেহরান বরাবরই কূটনৈতিক সমাধানের ওপর জোর দিয়ে এসেছে। পাশাপাশি, তারা এটাও বলতে ভুলেনি যে কোনো ধরনের আগ্রাসী আচরণের পাল্টা ও সমপরিমাণ জবাব দিতে তারা পিছপা হবে না।
তেহরানের দাবি, আলোচনার কেন্দ্রে থাকবে পরমাণু প্রকল্প। ক্ষেপণাস্ত্র প্রকল্প বা প্রতিরক্ষা সক্ষমতার মতো বিষয়গুলোকে এই দরকষাকষির আওতা বহির্ভূত বলেই রায় দিয়েছে দেশটি।
সিএনএনের সঙ্গে সাক্ষাৎকারে সোমবার ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাকচি জানান, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে পরমাণু চুক্তিতে যাওয়ার লক্ষ্য অর্জন করা সম্ভব। প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প যা বলেছেন, তা যদি মার্কিন প্রতিনিধিরা মেনে চলে, তাহলে আবারও আলোচনা সম্ভব। একটি ন্যায্য ও সমতাপূর্ণ চুক্তি নিশ্চিত করবে (ইরানের হাতে) কোনো পরমাণু অস্ত্র থাকবে না। ব্যাপারটা এভাবে আগালে আমি আত্মবিশ্বাস নিয়ে বলতে পারি, আমরা চুক্তির লক্ষ্য পূরণ করব।
গত মাসে ইরানে সরকারবিরোধী আন্দোলন তুঙ্গে ওঠে। অসংখ্য মানুষ হতাহত ও গ্রেপ্তার হন। এই প্রেক্ষাপটে ট্রাম্প মধ্যপ্রাচ্যে রণতরী ও অন্যান্য নৌযান পাঠান। হুমকি দেন, বিক্ষোভকারীদের 'হত্যা করা বন্ধ না হলে ইরানে হামলা চালাবে যুক্তরাষ্ট্র'।
তবে শেষ পর্যন্ত সেই হামলার নির্দেশ আর আসেনি। উভয় পক্ষই আলোচনার মাধ্যমে সমস্যার সমাধান করতে চায়।
A Publication of MUNA National Communication, Media & Cultural Department. 1033 Glenmore Ave, Brooklyn, NY 11208, United States.